মারজিয়া প্রভা। শাহবাগী এক্টিভিস্ট ছাড়াও তার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো সে বাংলাদেশের শীর্ষ নারীবাদীদের একজন। নারীবাদীদের সর্ববৃহৎ ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম ওইমেন চ্যাপ্টার এর একজন নিয়মিত লেখিকা । এছাড়াও লিখেন দেশের শীর্ষ অনলাইন পোর্টাল গুলোতে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোতে জরুরি প্যাড কর্নার চালু করার অন্যতম উদ্যোক্তা সে। পর্যায়ক্রমে ৬৪ জেলায় এ কর্নার চালু করতে চায় সে। যে উদ্যেগের অন্যতম লক্ষ বাংলাদেশে মাসিক বা মাসিকের সময় স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার নিয়ে যে ‘ট্যাবু’ বা গোপনীয়তা আছে, তা ভাঙ্গা । এছাড়াও 'ধর্ষণ' ও 'পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা' নিয়ে নিয়মিত তাকে অনলাইনে বিভিন্ন তীর্যক সমালোচনা করতে দেখা যায়। এইবার জানা যাক সম্প্রতি তার একটি ধর্ষণের ঘটনায় সহযোগিতার আদ্যোপান্ত। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মাহমুদ এইচ খান নামের এক বাম এক্টিভিস্টের 'একটি ধর্ষণ: একজন নারীবাদী ও একজন বাম নেতার ধর্ষণের সহযোগিতা' শিরোনামের একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। যেখানটায় সে বর্ণনা করেছে কিভাবে একটি মেয়েকে পার্টিতে ডেকে এনে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ধর্ষণ করা হয়, ধর্ষণের আলামত বুঝতে পেরে প...
Midnight Massacre in Dhaka by Security Forces of Bangladesh [ WARNING GRAPHIC VIOLENCE ] Executive Summery : On 6 May 2013 at 2.40 in the morning, t he government in Bangladesh has cracked down on protests leaving a huge number of unarmed religious people dead and thousands others injured. More than 10,000 forces drawn from police, the elite Rapid Action Battalion and paramilitary Border Guard Bangladesh jointly launched a drive in the darkness of midnight on 6 May to clear demonstrators from a major thoroughfare in Dhaka. Electricity was cut and media access was restricted from the scene during the joint operation. In Narayanganj and Chittagong, 20 demonstrators were shot dead by police on 6 May. 16 demonstrators were killed on the previous day by po lice in several attacks carried out to disperse the Dhaka Siege program. Bangladesh is now passing a great crisis in her political arena . Democracy a...
দরিদ্র রাষ্ট্র ইয়েমেনের সাথে ঐ অঞ্চলের প্রভাবশালী রাষ্ট্র তাদের প্রতিবেশী সৌদি আরবের রয়েছে দীর্ঘ কয়েক দশকের শত্রুতা! প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অটোমান সাম্রাজ্যের ক্ষমতা পতনের পর ইবনে সৌদ যখন আধুনিক সৌদি আরব প্রতিষ্ঠা করেন তখন ইয়েমেন বাদে প্রায় সব আরব এলাকা নিজের নিয়ন্ত্রণে এনেছিলেন। পরবর্তীতে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে ১৯৩৪ সালেও একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নানান ঘটনার মধ্য দিয়ে এরপর পেরিয়ে গেছে বহু বছর। ২০১১ সালের ২৭শে জানুয়ারি। আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তখন ক্ষমতা পরিবর্তনের দাবিতে যে গণঅভ্যুত্থান চলছিল - তার ঢেউ এসে পৌছালো ইয়েমেনে। রাজধানী সানার রাস্তায় নেমে এলো হাজার হাজার মানুষ। এই পরিস্থিতিতে আরব বসন্ত ঠেকানো খুবই জরুরি হয়ে পড়েছিল সৌদিসহ বেশিরভাগ আরব দেশের শাসকদের জন্য। সৌদি আরবের সীমান্তের পাশের প্রতিবেশি ইয়েমেনে যদি তাদের মদদপুষ্ট স্বৈরশাসকের পতন ঘটে তাহলে সৌদি রাজতন্ত্রের জন্য তা বিরাট হুমকি হয়ে উঠতে পারে। যেকোনো সময় আরব দেশগুলোতে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে। সেই আশংকা থেকে সৌদি আরব এ অঞ্চলে তার মিত্রদেরকে নিয়ে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। আম...
Comments
Post a Comment