আ.লীগের সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ইতিবৃত্ত
| সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘরে হামলা ও লুটতরাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন স্থানীয় যুবলীগ সভাপতি স্বাধীন মিয়া। এই অভিযোগে তাকে প্রধান আসামি করে শাল্লা থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। |
বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত সন্ত্রাস চালায় আর আ.লীগ সেটা প্রতিরোধ করে। যারা এখনো মৌন ভাবে আওয়ামী স্বৈরাচার সাপোর্ট করে যাচ্ছেন তাদের সবারই মোটামুটি বক্তব্য এটাই ।
কিন্তু নিচের কিছু খবর শেয়ার করলাম সেখানে ক্লিয়ারলী দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লিগের গুন্ডাবাহিনী-ই বিভিন্ন জায়গায় হামলা করছে, বাসের উপর আগুন দেয়ার চেষ্টা করছে, শহীদ মিনার ভাঙ্গার চেষ্টা করছে, হিন্দুদের বাড়ীতে হামলা করেছে ।
আপনারা জানেন এখন যাই সন্ত্রাস হচ্ছে বাই ডিফল্ট দোষ চলে যাচ্ছে বিরোধীদের উপরে - শহীদ মিনার ভাঙ্গা হলে - হিন্দূদের উপর হামলা হলেও সেগুলো বাই ডিফল্ট বিরোধী দলের উপরে যায়। আওয়ামী লীগের মতো চেতনাধারী দলের পক্ষে এসব করা সম্ভব না ।
কিন্তু নিচের লিংক গুলো আপনাদের অনুমান ভুল প্রমান করে। সবচে আতংকের ব্যাপার হচ্ছে এগুলো শুধু খবরের কাগজে এসেছে আর যেগুলোতে ধরা খায়নি সেই গুলো খুব সহজেই তারা অন্য দলের উপর দোষ চাপিয়ে দিতে পেরেছে । এবং তাদের হাজার কোটি টাকা লুটপাট কে জারি রাখার জন্য কথিত জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাসবাদ আর প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তিকে ঘায়েল করার যুদ্ধাপরাধ ইস্যুকে ব্যবহার করে, প্রহসনের পাতানো নির্বাচন করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের খুনের লাইসেন্স পেয়ে যাচ্ছে।
###################
২ জানুয়ারী ২০১৪
মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে ছাত্রলীগের তিন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁরা বাসে আগুন ধরানোর চেষ্টা করছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। আজ বুধবার রাত পৌনে আটটার দিকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, জেলা ছাত্রলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদ মোল্লা (২৪), ছাত্রলীগকর্মী লিমন (২২) ও রানা (১৯)। তাঁদের কাছে পেট্রলভর্তি দুটি বোতল ও দিয়াশলাই পাওয়া গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত পৌনে আটটার দিকে বাস টার্মিনালের পাশে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে চলাচলকারী গাড়িতে পেট্রল ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন ওই তিন যুবক। এ সময় পুলিশ তাঁদের হাতেনাতে আটক করে।
জানতে চাইলে মাগুরা পুলিশ সুপার জিহাদুল কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের কাছে মাম ব্রান্ডের পানির বোতলে ভরা পেট্রল এবং সঙ্গে দিয়াশলাই পাওয়া গেছে। এটিকে পেট্রল বোমা বলা ঠিক হবে না। পেট্রল বোমা কাচের বোতলে তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে আগুন ধরানোর সলতে থাকে। তিনি বলেন, আটক নেতা-কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
রাত ১০টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার সুদর্শন রায়, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হাসেমসহ পুলিশ কর্মকর্তারা আটক নেতা-কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন।
মাগুরার সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) সুদর্শন রায় বলেন, সাজ্জাদ, লিমন ও রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নাশকতা সৃষ্টিই তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল।
ওই তিন ছাত্রলীগকর্মীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা স্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ রেজাউল ইসলাম। তিনি বলেন, মোটরসাইকেলে ব্যবহারের জন্য তাঁরা পেট্রল কিনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি এই প্রতিবেদককে ভালো করে জেনে-শুনে ওই ব্যাপারে প্রতিবেদন করার পরামর্শ দেন।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মেহেদী হাসান বলেন, ‘পেট্রলবোমাসহ জেলা ছাত্রলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদ মোল্লা ও ছাত্রলীগকর্মী লিমন ও রানাকে পুলিশ আটক করেছে বলে শুনেছি। বিষয়টি দুঃখজনক।’
প্রথম আলো
###################
শহীদ মিনার ভাঙার সময় শেরপুরে হাতেনাতে আটক যুবলীগ নেতা নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়াবগুড়ার শেরপুরে শহীদিয়া কামিল মাদ্রাসায় স্থাপিত শহীদ মিনার ভেঙে ফেলার সময় যুবলীগের এক নেতাকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ওই ঘটনা ঘটানোর সময় শেরপুর শহর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক তবিবর রহমান টিপু নামের ওই নেতার সঙ্গে ছিল আরো দুজন।প্রত্যক্ষদর্শী ওই মাদ্রাসার আলিম দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবদুল হালিম, সামিউল ইসলাম ও সিহাব উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন জানায়, তিন যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে মাদ্রাসায় প্রবেশ করে তারা শহীদ মিনারের বেদিতে স্থাপিত স্টিলের খুঁটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা চালায়। টানাটানির এক পর্যায়ে খুঁটির একটি অংশ ভেঙে উঠে আসে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবলীগ নেতাকে আটক করে।
কালের কন্ঠ
###################
সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুটি বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে পালানোর সময় যুবলীগ নেতা আবদুল গফফরকে আটক করেছে এলাকাবাসী। শনিবার রাত ১১টার দিকে দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বাড়ি দুটি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ার পর এলাকাবাসী আগুন আগুন বলে চিৎকার করে। এ সময় এলাকাবাসী ধাওয়া করলে মুখোশধারী অবস্থায় এক দুবৃর্ত্তকে ধরে ফেলে। পরে তিনি যুবলীগ নেতা বলে দাবি করেন। রাতভর একটি গাছের সঙ্গে তাকে বেধে রাখে এলাকাবাসী।
আটককৃত যুবলীগ নেতা আব্দুল গফফর একই এলাকার এলবার গাইনের ছেলে। পরে রোববার সকাল নয়টার দিকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
আটক যুবলীগ নেতা আবদুল গফফর জানান, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে তিনি হিন্দুদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় পুলিশকে তিনি আরো তিনজনের নাম জানান।
জানা যায়, শনিবার রাত ১১টার দিকে যুবলীগ নেতা আবদুল গফফর এর নেতৃত্বে একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত উত্তর পারুলিয়ার সুনিত সরদারের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে দুটি বসত বাড়ি পুড়ে যায়।
সুনীত সরকার জানান, জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার প্রতিপক্ষরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দেবহাটা থানার ওসি তারক বিশ্বাস জানান,আগুন ধরিয়ে দেয়ার সন্দেহে আবদুল গফফারকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুজ্জামান মুকুল জানান, পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন দিয়ে জামায়াতের ওপর দায় চাপাতে আওয়ামী লীগ এ ঘটনা ঘটায়।
নতুন বার্তা
###################
বরিশাল নগরের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী নৌকায় করে সদর উপজেলার চরকাউয়ায় গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের বাড়ি ও মন্দিরে আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানেও এমন কয়েকজনের নাম জানা গেছে, যারা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
যে খুনের ঘটনার জের ধরে সনাতন ধর্মাবলম্বী ওই পরিবারগুলো হামলার শিকার হয়েছে সেই পারভেজের ভাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এমনকি খুনের ঘটনার পর ওই রাতে চরআইচা এলাকায় ছাত্রলীগের একজন নেতাও গিয়েছিলেন। সেখানে হামলার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে ছাত্রলীগের ওই নেতা হামলার সঙ্গে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, পারভেজের ভাই শামীম গাজী ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
গত শুক্রবার সকালে চরকাউয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি ও মন্দিরে হামলা হয়। আগুনে ১৩টি বসতঘর ও দুটি মন্দির পুড়ে গেছে। আগের দিন বৃহস্পতিবার রাতে আগের বিরোধের জের ধরে খুন হন পাশের চরআইচা গ্রামের পারভেজ। এর জের ধরে ওই হামলা হলেও এর পেছনে অন্য কোনো পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান আবুল কালাম আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ঘটনার নির্মমতার বর্ণনা দিলেও কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করতে চাইছে না ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। তিনি আরো বলেন, 'তদন্তকালে বেশ কিছু তথ্য আমরা পেয়েছি, যা এই মুহূর্তে প্রকাশ করা যাচ্ছে না।'
এ ছাড়া কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরের খুঁজছে তদন্ত দল। এর মধ্যে, আগুন দেওয়ার সময় এতো লোক কোথা থেকে কিভাবে এলো। তারা কি চরআইচা গ্রামের না বাইরে থেকে এসেছে। সেটা হলে তারা কারা। তাদের এখানে আনার পেছনে কারা কারা কাজ করেছে।
হামলায় অংশ নেয় ছাত্রলীগকর্মীরা : নগরীর সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের ফ্লাইট সার্জেন্ট ফজলুল হক (মুসলিম হল) হোস্টেলের অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারাই নৌপথে শহর থেকে ওই গ্রামের পেছন দিয়ে গিয়ে আগুন দিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে- এমন বেশ কয়েকজনের নাম জানা গেছে।
হোস্টেলের এক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই শিক্ষার্থীরা হোস্টেল ছাড়েন। ছাত্রলীগের অনুসারী শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ছিল শাকিল হাওলাদার, কে এম রফিক, জাকারিয়া, জিয়া, সজীব ও আরিফ। তাঁরা সবাই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। ছাত্রলীগের বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তাঁদের প্রথম সারিতে অংশ নিতে দেখা যায়।
চরকাউয়ার সাবেক এক জনপ্রতিনিধি বলেন, বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে নগরের চাঁদমারী ঘাট থেকে কীর্তনখোলা নদী পার হয়ে চরকাউয়ার রুনা ইটভাটার পাশের খেয়াঘাটে নামে। তারা ইটভাটার পাশ ধরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ির পেছনে অবস্থান নেয়। তখন সকাল সাড়ে ৯টা বাজে। আরো তিন-চারটি নৌকায় করে একই সময় শতাধিক নারী, পুরুষ, কিশোর একইভাবে হিন্দুদের বাড়ির পেছনে অবস্থান নেয়। তারা নিহত পারভেজের আত্মীয়। তাদের বাড়ি সদর উপজেলার কর্ণকাঠি গ্রামে। একপর্যায়ে তারা সংগঠিত হয়ে হিন্দুদের বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট চালায়। শেষে বাড়িগুলোতে পেট্রল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ওই শিক্ষার্থীরা দক্ষিণ চরআইচার পালবাড়ি হয়ে নাপিতের হাটখোলা দিয়ে আবার নৌপথে চাঁদমারী খেয়াঘাটে ফেরে।
কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে জানা যায়, শিক্ষার্থীরা শহরে আসার সময় পালবাড়ি অতিক্রমকালে ওই এলাকার নির্মল চন্দ্র পালকে মারধর করে। পাশাপাশি কৃষ্ণা রানী পালের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়।
সেদিনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আগুন দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা অগ্রভাগে থাকলেও তাদের সহযোগিতা করেছেন চরআইচা গ্রামের জাকির গাজী, নাসির গাজী ও মাসুদ হাওলাদার। এ তিনজনই বিএনপি ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ক্ষতিগ্রস্তরা জানায়, নিহত পারভেজ গাজীর ভাই শামীম গাজী মহানগর ছাত্রলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য। শামীম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দীনের সঙ্গে রাজনীতি করেন। তাই শামীমের ভাই নিহত হওয়ার খবর শুনে বৃহস্পতিবার রাতেই জসিম চরআইচা গ্রামে গিয়েছিলেন বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য মতে, রাতে জসিম চরকাউয়া মাতৃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। তাঁর উপস্থিতি টের পেয়ে ওই রাতেই হিন্দু পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান।
ছাত্রলীগ নেতারা যা বললেন : অভিযোগ প্রসঙ্গে শাকিল হাওলাদার কালের কণ্ঠকে বলেন, মুসলিম হলের রাজনীতি দুটি ভাগে বিভক্ত। এক পক্ষে ভোলা, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও হিজলার শিক্ষার্থীরা, অন্য পক্ষে রয়েছে বরিশারের বাকেরগঞ্জ আর পটুয়াখালীর বাউফলের শিক্ষার্থীরা। যাদের হামলার সঙ্গে জড়ানোর হচ্ছে তারা ভোলার অনুসারী। তিনি দাবি করেন, 'প্রতিপক্ষরাই আমাদেরকে ফাঁসাতে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে। ঘটনার দিন আমি কিংবা জাকারিয়া, রফিক, জিয়া বরিশালে ছিলাম না।' তিনি জানান, আগুন দেওয়ার পর আরিফ ও জুবায়ের আলমকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দীন বলেন, 'শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পারভেজের লাশ দেখতে গিয়েছিলাম। কারণ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা সেখানে যাওয়ার জন্য বলেছিলেন।' তিনি দাবি করেন, শামীম গাজী ছাত্রলীগের কেউ নন। এমনকি ঘটনার সঙ্গে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের জড়িত থাকার বিষয়টি তিনি অবগত নন। যারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন ছাত্রলীগের এ নেতা।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চরকাউয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ছবি বলেন, আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ঘটিয়েছে হাতে গোনা ২৫-৩০ জন লোক। ওই লোকগুলো কারো পরিচিত নয়।
সাক্ষ্য দিতে আসেননি ইউপি সদস্য : গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেন। তবে ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থেকে সাক্ষ্যপ্রদান ও তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতা করার জন্য পশ্চিম চরআইচা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াজুল ইসলাম সবুজকে উপস্থিত থাকার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি গতকাল তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হননি। এর আগে তাঁর বরিশাল নগরের ভাড়া বাসায় পুলিশ অভিযান চালিয়েছিল।
তদন্ত কমিটির প্রধান আবুল কালাম আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, গুজবের ইন্ধনদাতা এবং বাড়িতে এসে আগুন দেওয়ার সময় কারা সামনের দিকে ছিল তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
কালের কন্ঠ
###################
পৌর কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে গত রবিবার সন্ধ্যায় বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ বিজয়পুর এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়। হামলার ঘটনায় দুই নারী আহত হয়েছেন। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ওই হামলা চালানো হয়। পরে ওই বাড়িতে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
হামলার শিকার রতন ভৌমিক জানান, গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ বিজয়পুর এলাকায় তাঁর পৈতৃক বাড়ির দুই একর ৭৭ শতক জমি স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ আহম্মেদ ও তাঁর স্বজনরা নিজেদের বলে দাবি করছেন। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে রবিবার সন্ধ্যায় পৌর কাউন্সিলর ফিরোজের নেতৃত্বে ৮-১০ জন তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে শাশুড়ি তুলসী সাহা ও ফুপু মায়া পোদ্দারকে মারধর করে। এ সময় হামলাকারীরা মনসা মন্দিরের নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা ওই জমিতে তিনটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেয়। হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে পৌর কাউন্সিলর যুবলীগের নেতা ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, 'আমার বাবা নিলাম সূত্রে ওই সম্পত্তির মালিক। আমাদের হয়রানি করার জন্য রতন ভৌমিক এ নাটক সাজিয়েছে।'
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গৌরনদী থানার ওসি আবুল কালাম জানান, এ ঘটনায় রতন ভৌমিক বাদী হয়ে ফিরোজ আহম্মেদের সহোদর নজরুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলামের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আটজনকে আসামি করে ওই রাতেই গৌরনদী থানায় মামলা করেন।
কালের কণ্ঠ
###################
ঢাকা: মহাজোট সরকারের আমলে দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্র্টির সভাপতি শচীন্দ্র লাল দে। তিনি চলতি বছরের এক পরিসংখ্যান উল্লেখ্য করে বলেন, এবার ৪৭৮টি মঠ ও মন্দির, ১২৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড. বিশ্বনাথ সরকার। মাইনরিটি পার্র্টির সভাপতি শচীন্দ্র লাল দে বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে চট্টগ্রামের নদীরহাট, বাঁশখালী, রামু, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের চাকরদাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘুদের মঠ, মন্দির ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হামলা, অগ্নিসংযোগ- লুটপাট হয়েছে।১৭ জন কুমারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে; তাদের মধ্যে আটজনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
শচীন্দ্র লাল দে বলেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে সব দল ও মতের লোকজনের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে শঙ্কা ও রাহুমুক্ত করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।নতুন বার্তা /একে/মোআ
নতুন বার্তা
###################
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বাদ দিয়ে পুলিশ নিরপরাধ মানুষদের গ্রেপ্তার করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান।
তিনি বলেছেন, “পাবনার সাঁথিয়ার বনগ্রামের ঘটনার সাথে যারা জড়িত, তাদেরকে গ্রেপ্তার না করে পুলিশ নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে। এটা মানবাধিকার পরিপন্থি।
“কিন্তু ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত পুলিশ তা জানে, কোনো একটা অদৃশ্য কারণে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বনগ্রামে ওই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর ও মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
দোষীরা যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন গ্রেপ্তার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার দাবি জানান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।
পরিদর্শনের সময় মানবাধিকার কমিশনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে একই দিনে সিপিবি, বাসদ, হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ ও জেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তারা বলেন, এ ঘটনাটিকে রাজনৈতিকভাবে না দেখে সঠিকভাবে তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার করা উচিত।
প্রতিনিধি দলে সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাসদের কেন্দ্রীয় সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন ও হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক নিমচন্দ্র ভৌমিক উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবাগুলোর মধ্যে ১ বস্তা করে চাল বিতরণ করা হয়।
বনগ্রাম সাহাপাড়ার দশম শ্রেণির ছাত্র রাজীব সাহার (১৭) ফেইসবুক পাতায় মহানবীকে কটূক্তি করে স্ট্যাটাস দেয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার রাতে উত্তেজনা দেখা দেয়।
শনিবার রাজীব সাহার বাড়িসহ স্থানীয় হিন্দুদের অন্তত ৩৫টি বাড়ি, তিনটি মন্দির ও ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এতে আতঙ্কিত হিন্দুরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনটি মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে আতাইকুলা থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা দায়ের করেন করেন থানার এসআই আব্দুল হালিম।
এর আগে হামলার রাতেই কথিত কটূক্তিকারী রাজীব সাহার বাবা বাবলু সাহা ২০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরো ২০০/৩০০ জনের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি দায়ের করেন।
এছাড়া আতাইকুলা থানা পুলিশ ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করে ওই থানায়।
এই তিন মামলায় এ পর্যন্ত মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা এজহারভুক্ত আসামি বলে পুলিশ দাবি করলেও বাবলু সাহা বলেন, তার মামলায় ২০ জনের মধ্যে কেউই এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি।
বুধবার ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকু, পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার ও র্যাবের মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমান।
বাংলাবিডিনিউজ২৪
###################
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার জন্য স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুকে দায়ী করেছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাইয়িদ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বনগ্রাম বাজারে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।
আবু সাইয়িদ বলেন, ‘ঘটনার সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মাত্র ১০ মাইল দূরে ছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে তিনি নিজে আসেননি, তাঁর পুলিশ বাহিনীকেও পাঠাননি। কিন্তু পুলিশকে দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে দায়সারাগোছের দুটি মামলা করিয়েছেন। যার একজন সাক্ষী ১০ বছর আগে মারা গেছেন।’
তিনি বলেন, ‘মূলত স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও তাঁর অনুসারীদের কারণেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার মূল হোতা এখনো তাঁর সঙ্গে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না।’
প্রথম আলো
###################
###################
Mithu, one of the men alleged to have vandalised over 100 Hindu houses and temples, inset, at Bonogram in Santhia of Pabna on Saturday, is seen behind State Minister for Home Shamsul Hoque Tuku when he visited the area yesterday. Photo: Rashed Shumon
Some of the alleged culprits of Saturday’s attack on Hindu community in Pabna were yesterday seen with State Minister for Home Shamsul Hoque Tuku and two lawmakers in the affected Bonogram village.With Tuku, Disaster Management and Relief Minister Abul Hasan Mahmud Ali and State minister for LGRD Jahangir Kabir Nanak visited Bonogram yesterday, four days after vandalism and looting of over 100 Hindu houses had taken place in Sahapara and Ghoshpara areas.Interestingly, during the visit, the state minister claimed that his party men had tried to save the Hindu families.Mithu and Rubel, who according to villagers were among the attackers, were prominently seen welcoming the ministers and taking part in a rally organised by the local administration protesting Saturday’s violence.The Daily Star took photos of Mithu and Rubel, both aged between 20 and 25 years. Seeing the photos, the victim families and locals vehemently said that both had taken part in the vandalism and looting.Mithu was seen around the ministers all the time and chanting slogans with others.Asked, locals said Mithu and Rubel of nearby Miapur village are known as local thugs. But the villagers could not confirm their political identity.“Another youth named Ani, who also had been with the attackers, was also seen in the programme,” said a trader of Bonogram bazar.Hailing from Gouripur, Ani is also known in the area as a mugger and extortionist. He is involved in an underground party along with his uncle, alleged locals.While talking to affected Hindu women in Ghoshpara, State Minister Tuku said, “Our leaders and workers tried to save you risking their lives. But by the time, some damage had already been done.”“You stay with courage … our activists are here,” he told them.The ministers were also flanked by Inspector General of Police (IGP) Hasan Mahmud Khandker and RAB Director General Moklesur Rahman.The IGP enquired whether the villagers were still in panic.In response a woman said as long as police are with them they feel secured, but do not know what will happen when there is no police protection.The IGP claimed that police were very active in arresting the attackers.But in reality police could not arrest a single person who took part in the attack. So far they have arrested 10 people — all accused in a case filed by police for assaulting cops during a road blockade at Bonogram bazar.“I named 20 persons in my case for attacking and looting my house, but none of them have been arrested,” said Babul Saha, who came under a mob attack on a rumour that his son had maligned the Prophet in facebook. Some locals and police rescued him.Police could not also nab any of the youths who challenged Babul at his shop that day for his son’s alleged act.Yesterday, several hundred bikers welcomed the ministers at Santhia when they reached there in a helicopter. The supporters then accompanied them to Bonogram.Meanwhile, the rally there actually looked like a showdown against BNP-Jamaat to gain political benefit rather than having the attackers arrested or punished.The ministers said the prime minister had sent them to talk to the victims and report to her, and that she had expressed deep sympathy and assured of all kinds of assistance.Pointing finger at BNP and Jamaat, Nanak told the rally that the attack in Bonogram was like those carried out in 1971, in Ramu and many other places in the country. He urged all to fight the evil forces unitedly.Nanak claimed that the local administration promptly acted during the attack, but in fact, police failed to reach the Hindu villages even in two-and-a-half hours.While visiting the damaged houses and talking to the victims, Tuku was also seen seeking votes for himself in the next general elections. “My symbol is boat … remember it,” Tuku told villagers waving his hands.
http://www.thedailystar.net/beta2/news/some-attackers-seen-with-tuku/
Comments
Post a Comment